বরিশাল-৪ আসনে নিজেই ভোটার নন হাতপাখার প্রার্থী আবুল খায়ের বরিশাল-৪ আসনে নিজেই ভোটার নন হাতপাখার প্রার্থী আবুল খায়ের – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

বরিশাল-৪ আসনে নিজেই ভোটার নন হাতপাখার প্রার্থী আবুল খায়ের

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৩ সময় দর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনে বিএনপির প্রার্থী রাজীব আহসান ভোট দিবেন মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার টি.টি ডি.সি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। তাছাড়া জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল জব্বার ভোট দিবেন পৌরসভার দূর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সৈয়দ এছাহাক মোঃ আবুল খাযের নির্বাচনী এলাকার কোন কেন্দ্রে তার ভোট রয়েছে বা দিবেন এটা জানেন না তার দলের নেতা-কর্মীরা।

এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি গাজী জাহাঙ্গীর হোসেন খোকনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি প্রথমে বলেন হাতপাখার প্রার্থী মুফতি আবুল খায়ের কোন কেন্দ্রের ভোটার সেটা আধা ঘন্টা পরে জানাবো। আধা ঘন্টা পরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি সাংবাদিকের নাম্বার থেকে ফোন কলটি আর রিসিভ করেননি।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, এই আসনে তার নিজেরই ভোট নেই। এমনকি পরিবারের কোন সদস্যেরও ভোট নেই। নির্বাচন অফিসে দাখিলকৃত (যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সকল নাগরিকদের দেখার জন্য উন্মুক্ত) কাগজপত্রে থেকে প্রাপ্ত তার এনআইডি নাম্বার (৪১৬৮৬৬১৬০৩) ও জন্ম তারিখ (০৫-১২-২০২৫) দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইডে সার্চ দিয়ে দেখা যায় তার ভোট বরিশাল-৫ আসনের রুপাতলী সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৩য় তলায়, ভোটার নং ০৬০৪৪৯২৮০৮৯০, সিরিয়াল নং ২৫৪। তাছাড়া তার পৈত্রিক নিবাস বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাইতে কিন্তু বরিশাল-৪ আসনে তিনি স্থায়ী-অস্থায়ী কোন বাসিন্দা নন।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভোটারটা বলেন, যার নিজেরই ভোট নাই সে চায় ভোট। এছাড়াও তাকে নিয়ে রয়েছে নানান বিতর্ক। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও তিনি মুলত মাঠে নামেন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ঠিক আগ মুহুর্তে। অনেকের ধারণা ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর জোট হওয়ায় সেই জোটের প্রার্থী হওয়ার জন্য শেষ মুহুর্তে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। জোট থেকে মনোনয়ন পাওয়ার জোড় লর্বিং করেছেন তিনি।

কিন্তু জামায়াত এই আসন তাদেরকে দেওয়ার জন্য আগ্রহী না থাকায় জামায়াতের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ক্ষোভের বর্শবতী হয়ে জামায়াত জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বেড়িয়ে যাওয়ার ঘোষণা আসার সাথে সাথে নির্বাচনী এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেন তিনি। এটা নিয়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। নেটিজেনদের পাশাপাশি খোদ তার দলের লোকরাই বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখেনি। যেখানে দলের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য ও তার বড় ভাই সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী জোট ভেঙ্গে যাওয়ায় মানসিকভাবে কষ্ট পাওয়ার বিষয়ে মত প্রকাশ করেছে। তাছাড়ও আরো কয়েকজন দলীয় প্রার্থী ও ইসলাম প্রিয় আপামার জনগণ জোট ভাঙ্গায় কষ্টের কথা প্রকাশ করেছে। সেখানে তার মিষ্টি বিতরণকে স্বাভাবিকভাবে নেয়নি ইসলাম প্রিয় জনতা।

অপরদিকে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আলিমাবাদ ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল হক তালুকদারকে জামায়াত নেতা সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান করান তিনি। যোগদানের ছবিটি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে জামায়াত নেতা আখ্যা দেওয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এ নিয়ে মিডিয়ায় নিউজ হওয়ার পরে তুমুল বির্তকের মুখে ফেসবুক থেকে পোষ্ট ডিলেট করেন তিনি। কিন্তু তার পোস্টের স্কীন শর্টটি রয়ে গেছে মিডিয়া কর্মীদের কাছে। এছাড়াও তার নানান কর্মকান্ডে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর