ওজন কমাতে হলে ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত ওজন কমাতে হলে ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

ওজন কমাতে হলে ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৬ সময় দর্শন

আমরা কি জানি ঘুমিয়েও ওজন কমানো সম্ভব? আসলে ব্যাপারটা এমন না  যে ঘুমালেই ওজন কমবে। এর মানে হলো ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবার আগে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার।

শুধু তাই না ঘুম হলো শরীরের জন্য একটি ‘গোপন অস্ত্র’। ব্যায়াম ও সুষম খাবার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঠিকমতো ঘুমানো ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে থাকে। ব্যায়াম ও ডায়েট করেও ওজন না কমার কারণ হতে পারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমের অভাব।

তাই বলা হচ্ছে- ওজন কমানোর গোপন অস্ত্র হতে পারে আমাদের ঘুম। ওজন কমাতে গেলে সবচেয়ে বেশি ভাবি- কী খাচ্ছি, কতটা ব্যায়াম করছি। ক্যালোরি কাউন্ট করি, জিমে ঘাম ঝরাই এবং ডায়েট চার্ট মেনে চলি। তারপরও ওজন কমার এই সমীকরণে একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ বারবার উপেক্ষিত থেকে যায়- সেটি হলো ঘুম।

এ বিষয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফারজানা রহমান দিনা বলেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে খাবার ও শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি ঘুম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের হরমোনাল ভারসাম্য নষ্ট হয়, ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং ক্যালোরি জমা হতে থাকে চর্বি হিসেবে। ঘুমের ঘাটতি শরীরে ‘লেপটিন’ ও ‘ঘ্রেলিন’ নামক দুটি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। ‘লেপটিন’ হলো পেট ভরার হরমোন- এটি মস্তিষ্ককে বলে যে খাবার যথেষ্ট হয়েছে। ‘ঘ্রেলিন’ হলো- ক্ষুধার হরমোন-এটি বলে যে আরও খাবার দাও। ঘুম কম হলে লেপটিনের মাত্রা কমে যায় এবং ঘ্রেলিনের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, বিশেষ করে শর্করা ও উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন সাত থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমান, তাদের তুলনায় যারা পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ঘুমান- তারা দিনে গড়ে ২০০-৩০০ ক্যালোরি বেশি খান। এই অতিরিক্ত ক্যালোরি শুধু খাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। ঘুমের ঘাটতি হলে শরীরের ‘রেস্টিং মেটাবলিক রেট’কমিয়ে দেয়। অর্থাৎ শরীর কম ক্যালোরি খরচ করে থাকে। ফলে খাওয়া খাবার শক্তি হিসেবে ব্যবহার না হয়ে চর্বি হিসেবে জমা হয়। বিশেষ করে রাতের খাবার দেরি করে খেলে বা রাতে কম ঘুম হলে এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়।

ঘুমের মানও গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত সময় ঘুমালেও যদি ঘুমের গুণগত মান খারাপ হয় তাহলে হরমোনাল ভারসাম্য নষ্ট হয়। অনেকে নিয়মিত ডায়েট ও ব্যায়াম করেও ওজন কমতে দেখেন না- এর পেছনে প্রায়ই ঘুমের ঘাটতি থাকে।

নারীদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম না হলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের হরমোন আরও বেশি বিকৃত হয়। ঘুমের অভ্যাস যেভাবে ঠিক করা যায়

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর