যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠা অধ্যাপক আমির হোসেনকে উপাচার্য নিয়োগ যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠা অধ্যাপক আমির হোসেনকে উপাচার্য নিয়োগ – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠা অধ্যাপক আমির হোসেনকে উপাচার্য নিয়োগ

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৫২ সময় দর্শন

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া।

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ‘জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭’-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী তাকে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছর তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ড. আমির হোসেন ভূঁইয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক। সম্প্রতি তিনি জাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদেও নির্বাচিত হন।

তবে তার এই নিয়োগ নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এর আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগের মুখে পড়েন তিনি। ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি, বডি শেমিং, মানসিক নির্যাতন, অশালীন মন্তব্য, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কটূক্তি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা অভিযোগ তোলা হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগে বলা হয়, অধ্যাপক আমির হোসেন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা করতেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি চালাতেন এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের হেনস্তা, ফলাফলে বৈষম্য, গবেষণায় নিরুৎসাহিত করা এবং সহকর্মী শিক্ষকদের নিয়েও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি প্রাথমিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক আইরীন আক্তার। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. তাসলিমা নাহার। এ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম শেষ হলে গঠিত হয় স্ট্রাক্চার্ড কমিটি। পরবর্তীতে এর কোনো অগ্রগতি জানা যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর