ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল ৪৫ দিন ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল ৪৫ দিন – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল ৪৫ দিন

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ৩৯ সময় দর্শন

ইসরায়েল ও লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওয়াশিংটনে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত দুই দিনের সংলাপ শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোট শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনা ছিল ‘খুবই ফলপ্রসূ’ এবং এর ফলেই গত ১৬ এপ্রিল কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে মার্চের শুরুতে দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। লেবাননভিত্তিক শিয়াপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাকে লক্ষ্য করে চালানো ওই অভিযানে কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যাপক সংঘাত চলে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৬ এপ্রিল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই পক্ষ।

সংঘাত চলাকালে দক্ষিণ লেবাননে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। বহু মানুষ আহত হন এবং নিরাপত্তার খোঁজে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও গত এক মাসে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিকও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ওয়াশিংটনের এই সংলাপকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। কয়েক দশক পর প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ে সরাসরি আলোচনায় বসেছে প্রতিবেশী দুই দেশ। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও অংশ নিয়েছেন।

জানা গেছে, আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে পেন্টাগন দুই দেশের মধ্যে নতুন একটি ‘নিরাপত্তা লাইন’ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করবে। এরপর জুনের শুরুতে আবারও ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসবেন ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিরা।

মার্কিন কর্মকর্তারা আশা করছেন, এসব আলোচনা দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর