শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন

শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৯ সময় দর্শন

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরে আনুষ্ঠানিকভাবে জলবায়ুর উষ্ণ দশা ‘এল নিনো’ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)।

শুক্রবার প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এল নিনো আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেশি থাকতে পারে।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব চেলেস্তে সাউলো বলেন, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা ও অতিবৃষ্টির মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ (মেরিন হিটওয়েভ) সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

সংস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতীয় উপমহাদেশ, অস্ট্রেলিয়া এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ভারত মহাসাগরের কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিপরীতে মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং আফ্রিকার গিনি উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আফ্রিকার হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চল, মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ এবং দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলেও বৃষ্টিপাত কম হওয়ার উচ্চ ঝুঁকির কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউরোপেও এল নিনোর প্রভাব ভিন্নভাবে দেখা যেতে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মহাদেশটির দক্ষিণাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি আর্দ্র আবহাওয়া এবং উত্তরাঞ্চলে শুষ্ক পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। একই সময়ে ভারত মহাসাগর ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আটলান্টিক মহাসাগরের পানির তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতার কারণে সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর এল নিনো সৃষ্টি হয়। এ প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র সাধারণত ৯ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় জাতিসংঘ ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ, মানবিক সহায়তা সংস্থা এবং কৃষি ও স্বাস্থ্যসহ জলবায়ু-সংবেদনশীল খাতগুলোর সঙ্গে সমন্বিত প্রস্তুতি শুরু করেছে। একই সঙ্গে মৌসুমি পূর্বাভাস, জলবায়ু সেবা এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর