যুক্তরাষ্ট্রে ২৯০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানল সুপার টাইফুন ‘বাভি’ যুক্তরাষ্ট্রে ২৯০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানল সুপার টাইফুন ‘বাভি’ – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে ২৯০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানল সুপার টাইফুন ‘বাভি’

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ সময় দর্শন

প্রবল ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে সুপার টাইফুন বাভি। এর প্রভাবে পুরো অঞ্চলে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা (এনডব্লিউএস) জানায়, ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার বেগের ভয়ংকর বাতাস এবং সর্বোচ্চ ৩৫০ কিলোমিটার বেগের দমকা হাওয়া নিয়ে বাভি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপগুলোর ওপর দিয়ে অতিক্রম করছে।

এনডব্লিউএস সতর্ক করে জানায়, অত্যন্ত বিপজ্জনক এই ঝড়ে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া সমুদ্রে প্রায় ১১ মিটার (৩৫ ফুট) উচ্চতার ঢেউ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের এক কর্মকর্তা জানান, এরই মধ্যে সেখানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলীয় এই অঞ্চলটি ঘূর্ণিঝড়প্রবণ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বীপগুলোতে এত শক্তিশালী টাইফুন তুলনামূলকভাবে বিরল। বিজ্ঞানীদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শক্তিশালী টাইফুনের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে।

এনডব্লিউএস জানায়, নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে দক্ষিণের জনবসতিপূর্ণ দ্বীপ রোটাতে সরাসরি আঘাত হেনেছে টাইফুনটি। এটি গুয়াম থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।

রোটার মেয়রের কার্যালয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে এক সতর্কবার্তায় ধ্বংসাত্মক বাতাসের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটবে এবং বাইরে থাকা নিরাপদ হবে না।

রোটার মেয়রের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, আমরা এখনও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রবল বাতাস ও বন্যার মুখোমুখি হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, গত এপ্রিলে গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানা সুপার টাইফুন সিনলাকু-এর পর থেকেই দ্বীপটির অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ওই টাইফুনে ১৭ জন নিহত এবং প্রায় ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ১১০ কোটি পাউন্ড) সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার জনসংখ্যার পর্যটননির্ভর দ্বীপ গুয়ামে পাঁচটি স্কুলে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০০ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে এবং এগুলো মূলত ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নির্ধারিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর