রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কখনো কেবল সংসদ ভবনের নীতিনির্ধারণী টেবিলে তৈরি হয় না, তার সূচনা হয় একটি ছোট্ট শ্রেণিকক্ষের নীরবতায়। সেখানে একটি শিশু যখন প্রথম অক্ষর শেখে, তখন সে কেবল ভাষা আয়ত্ত
স্বাধীনতাযুদ্ধের নির্দেশনার জন্য জাতি যখন উন্মুখ, সে প্রত্যাশা যখন মেটেনি জাতীয় নেতাদের সিদ্ধান্তহীনতার দোলাচলে, তখন জাতির ওই ক্রান্তিকালে আশ্বাসবাণী পাওয়া গেল চট্টগ্রামে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে অপেক্ষাকৃত তরুণ এক মেজরের
মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধাবস্থার মধ্য দিয়ে রমজান মাস অতিবাহিত করে মুসলিমবিশ্ব ঈদুল ফিতর উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে। আজ সন্ধ্যায় পশ্চিমাকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ঈদুল ফিতর। যদি চাঁদ দেখা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। সহসা এই সংঘাত বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বরং পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও
বক্তৃতা বা কথায় নয়, কাজ করে দেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাস্তবে প্রতিদিন পাড়ি দিতে হচ্ছে এক বন্ধুর পথ। পাছে লোকে কিছু বলের দিকে তাকানোর সুযোগ নেই। পুরোনো-নতুন প্রতিপক্ষের শব্দদূষণ, খোঁচা-খিঁচুনি,
বাংলাদেশ গত দুই দশকে দারিদ্র্য হ্রাসে অগ্রগতি অর্জন করলেও চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে এখনো প্রায় ১৮-১৯ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে এবং চরম দারিদ্র্যে
রাজনীতি কি কেবলই আদর্শের লড়াই, নাকি রক্ত আর উত্তরাধিকারের এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধন? বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায় এমন কিছু প্রভাবশালী পরিবারের গল্প, যেখানে ক্ষমতা প্রবাহিত হয়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
রাজনীতিতে নেতৃত্বকে অনেক সময় জনপ্রিয়তা বা ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে বিচার করা হয়। কিন্তু বাস্তবে কোনো রাষ্ট্র স্লোগান পরিচালিত হয় না। পরিচালিত হয় প্রস্তুতির মাধ্যমে। আজ বাংলাদেশের সামনে প্রকৃত প্রশ্নটি কেবল কে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ২০২৫ এ সালের শেষভাগ থেকে দেশ জুড়ে যে অজানা শঙ্কা, গুজব ও অস্থিরতা বিরাজ করছিল, তা দূর করে একটি উৎসবমুখর ও সংঘাতহীন নির্বাচন উপহার দেওয়া
সোজা ভাষায় সবার মনে একই প্রশ্ন। তবে উত্তর সবাই আশা করে একটাইÑ একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, ত্রুটিমুক্ত সবার গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হতেই হবে। এটা এখন আর কারও পছন্দের পর্যায়ে নেই,