নোয়াখালীতে ৩শ মিলি বৃষ্টি, পানিবন্দি উপকূলীয় মানুষ নোয়াখালীতে ৩শ মিলি বৃষ্টি, পানিবন্দি উপকূলীয় মানুষ – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন

নোয়াখালীতে ৩শ মিলি বৃষ্টি, পানিবন্দি উপকূলীয় মানুষ

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১১৬ সময় দর্শন

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নোয়াখালীতে সোমবার রাত থেকে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে জেলার বেশ কিছু সড়ক, অলিগলি ও বাসা বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সরকারি অফিস ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় লোকজন।

এদিকে মঙ্গলবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মাইজদী ও হাতিয়া আবহাওয়া অফিসে প্রায় ৩শ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

টানাবর্ষণে জেলা শহর মাইজদীর প্রেস ক্লাব সড়ক, রেড ক্রিসেন্ট, টাউন হল মোড়, ইসলামিয়া সড়ক, ডিসি সড়ক, মহিলা কলেজ সড়ক, জেলখানা সড়ক, নোয়াখালী সরকারি কলেজ সড়ক, মাইজদী বাজার সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

এছাড়া জেলার কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর, সেনবাগ, বেগমগঞ্জ, সোনাইমুড়ী ও চাটখিল উপজেলার নিচু এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে সকাল থেকে ওই সব এলাকায় চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা বলছেন, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব এবং পানি নিষ্কাশনে খাল, নালা ও জলাশয়গুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় শহরবাসীর এ দুর্ভোগ। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন অনেকে।

এদিকে একটানা ভারিবর্ষণ ও জোয়ারে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ও চরএলাহী ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী লোকজন। বেড়িবাঁধের বাইরের বেশিরভাগ বাড়িঘর পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। রান্নাঘরে পানি প্রবেশ করায় ব্যাহত হচ্ছে রান্নাবান্না।

মুছাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নুর উদ্দিন জানান, সোমবার রাত থেকে ভারি বৃষ্টির কারণে ইউনিয়নের ৬,৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের বেশির ভাগ বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। সড়কগুলোতে হাঁটু পরিমাণ পানি জমে গেছে। পানিবন্দি হয়ে গেছে প্রায় দুইশত পরিবার। পানির কারণে রান্নাবান্না করতে না পারায় খাবার সংকটে পড়েছে তারা।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ জানান, ভারি বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ফলে সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতার কারণে বিপাকে পড়েছে জেলার বাসিন্দারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর