মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি, নিখোঁজ রাইসার লাশ নিশ্চিতে ডিএনএ পরীক্ষা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি, নিখোঁজ রাইসার লাশ নিশ্চিতে ডিএনএ পরীক্ষা – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি, নিখোঁজ রাইসার লাশ নিশ্চিতে ডিএনএ পরীক্ষা

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১৩৩ সময় দর্শন

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিল ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রাইসা মনি (৯)। দুর্ঘটনার পর থেকে তাকে খুঁজছেন স্বজনরা।

অবশেষে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শিশুটির মুখমণ্ডলের অংশবিশেষ দেখে রাইসা হিসেবে দাবি করেন বাবা শাহাবুল শেখ (৪৪)।

তবে তার দাবিতে আস্থা রাখতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ডিএনএর প্রতিবেদন না পাওয়ায় বুধবার পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তপক্ষ।

রাইসার পরিবারের দাবি, তারা ৮০ ভাগ নিশ্চিত, এটি তাদের রাইসার লাশ। এদিকে ডিএনএর প্রতিবেদন ছাড়া লাশ হস্তান্তার করতে রাজি হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে রাইসার স্বজনদের অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হচ্ছে না। সিএমএইচ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে মঙ্গলবার বিকালে লাশের ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়। তবে ডিএনএর প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার বিকালের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে বলে পরিবার জানায়।

রাইসা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামের শাহাবুল শেখ ও মা মীম আক্তারের মেয়ে। পরিবার পরিজন নিয়ে রাইসার বাবা শাহাবুল শেখ ঢাকার উত্তরা নয়ানগরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শাহাবুল একটি গার্মেন্ট এক্সেসরিস প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।

রাইসা মণিরা দুই বোন ও এক ভাই। বোনের মধ্যে রাইসা মেজো। সে ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বড় বোন সিনথিয়া (১৪) ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ভাই রাফসান (৪) সবার ছোট।

রাইসার চাচা ইমদাদুল শেখ বলেন, এ দুর্ঘটনার পর থেকে রাইসা নিখোঁজ ছিল। আমরা তাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। বিভিন্ন স্থানে ও হাসপাতালে খোঁজখবরের পর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গত মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে তার লাশের সন্ধান পাই। তার বাবা পুড়ে যাওয়া মুখমণ্ডল দেখে নিখোঁজ মেয়ে রাইসা হিসেবে শনাক্ত করেন।

রাইসার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। পেটের ওপর থেকে মাথা পর্যন্ত বেশি পুড়েছে। তবে তার মুখমণ্ডল আংশিক যা দেখা যাচ্ছিল তা দেখেই রাইসাকে শনাক্ত করেন বাবা শাহবুল।

মঙ্গলবার বিকালে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আনা হয়। তবে পরিবার জানায়, দুর্ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর রাইসাকে খুঁজে পাওয়া গেলেও লাশ বুধবার পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পেতে দুই থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। আমরা এখন অপেক্ষায় আছি। অপেক্ষা করা ছাড়া আর আমাদের কী করার আছে। তবে অপেক্ষার সময় যেন কাটতে চায় না।

রাইসার চাচাতো ভাই তরিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। রিপোর্ট নিয়ে রাইসার বাবা ঢাকা মেডিকেলে গেছেন। লাশ পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হলে আজই ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর রাইসাকে বাজরা গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর