‘এবারের নির্বাচনে আইনের শাসন কাকে বলে, দেখাতে চাই’ ‘এবারের নির্বাচনে আইনের শাসন কাকে বলে, দেখাতে চাই’ – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন

‘এবারের নির্বাচনে আইনের শাসন কাকে বলে, দেখাতে চাই’

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭২ সময় দর্শন

‘এবারের নির্বাচনে আইনের শাসন কাকে বলে, তা দেখাতে চাই’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেব, ইনশাআল্লাহ।’

আজ শনিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। এজন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারই হবেন সেই কেন্দ্রের ‘চিফ ইলেকশন অফিসার’ উল্লেখ করে নাসির উদ্দিন বলেন, আইন অনুযায়ী সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগের দায়িত্ব তার ওপরই থাকবে।তিনি বলেন, প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র স্থগিত করুন, আইন প্রয়োগ করুন, তবে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশন হিসেবে আমরা আপনাদের পূর্ণ সমর্থন দেব। তবে ক্ষমতা প্রয়োগে গাফিলতি করলে সেটিকে দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে গণ্য করা হবে।’

বাংলাদেশের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, প্রশাসনিক, আইনগত ও প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাই সবচেয়ে কঠিন বিষয়। এজন্য তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের মূল চাবিকাঠি হলো ‘সমন্বয়’ জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘প্রিজাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ই নির্বাচনের সাফল্য নিশ্চিত করবে।’

নাসির উদ্দিন আরও জানান, নির্বাচন কমিশন একটি ‘সেন্ট্রাল কো-অর্ডিনেশন সেল’ এবং ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স ইউনিট’ গঠন করছে, যাতে দেশের যেকোনো স্থান থেকে দ্রুত যোগাযোগ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর