শিক্ষকতার বাইরে ৩৭ ধরনের কাজে প্রাথমিক শিক্ষকরা শিক্ষকতার বাইরে ৩৭ ধরনের কাজে প্রাথমিক শিক্ষকরা – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

শিক্ষকতার বাইরে ৩৭ ধরনের কাজে প্রাথমিক শিক্ষকরা

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬১ সময় দর্শন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষককে পাঠদানের বাইরে অন্তত ৩৭ ধরনের অপেশাদার বা নন-প্রফেশনাল কাজে যুক্ত থাকতে হচ্ছে। এসব অতিরিক্ত দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে প্রতিবছর সরকারের ব্যয় হচ্ছে এক হাজার ৭১০ কোটি টাকার বেশি। এর সরাসরি সুফল পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। বাড়তি চাপের কারণে শিক্ষকদের মানসিক স্বাস্থ্য, শিক্ষার গুণগত মান এবং শিক্ষার্থীদের শিখন ফল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) পরিচালিত এক গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে। ‘বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার শিক্ষণ ও শিখনগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি গত মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।

গবেষণায় জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গড়ে মাসে প্রায় ২৪ ঘণ্টা অপেশাদার কাজে ব্যয় করেন। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সরকারি জরিপে বেশি সময় চলে যায়। বিপরীতে বিদ্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ ও শিক্ষার্থীদের বাড়ি পরিদর্শনে তুলনামূলকভাবে কম সময় ব্যয় হয়।

অতিরিক্ত দাপ্তরিক কাজের চাপ সরাসরি শ্রেণিকক্ষের শিক্ষাদানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া শিক্ষকদের ৯০ শতাংশ জানিয়েছেন, অপেশাদার কাজ শেষ করে ক্লাসে ঢোকার পর তারা পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন না। এর ফলে শিক্ষার্থীদের শেখার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে। ৮৭ শতাংশ শিক্ষক মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা মৌলিক বিষয়গুলো যথাযথভাবে বুঝতে পারছে না এবং পরীক্ষার ফলেও এর নেতিবাচক প্রতিফলন ঘটছে।

মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। জরিপে অংশ নেওয়া যেসব শিক্ষকের ক্ষেত্রে বার্নআউট নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে (২১৯ জন), তাদের মধ্যে ৯২ দশমিক ৬৯ শতাংশ ‘লেট-স্টেজ বার্নআউট’-এ ভুগছেন। অর্থাৎ, তারা চরম কর্মক্লান্তির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন।

গবেষণায় জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকরা সহকারী শিক্ষকদের তুলনায় বেশি সময়– গড়ে মাসে প্রায় ২৭ দশমিক ৭৪ ঘণ্টা নন-প্রফেশনাল কাজে ব্যয় করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, এই গবেষণার তথ্য নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হতে পারে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন আবু নূর মো. শামসুজ্জামান  ও ফরিদ আহমদ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর