মার্কিন চুক্তির ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী মার্কিন চুক্তির ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

মার্কিন চুক্তির ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ৫১ সময় দর্শন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির কোনো ধারা দেশের অনুকূলে না গেলে তা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে বলে জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ শুক্রবার সকালে সিলেটের বাইশটিলা এলাকায় জেলা পরিষদ ন্যাচারাল পার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুটি রাষ্ট্র কোনো চুক্তি করলে তা চাইলেই পরিবর্তন করা যায় না। দুই ব্যক্তির চুক্তি চট করে রদবদল করা যায়। দুটি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। তবে চুক্তির মধ্যে বিভিন্ন ধারা থাকে। কিছু ধারা একটি পক্ষের অনুকূলে যায়, কিছু অন্যপক্ষের। দুই পক্ষের একটা উইন উইন সিচুয়েশন থাকে। তবে চুক্তির বাস্তবায়নের সময় এমন কিছু যদি আমাদের সামনে আসে, যা দেশের স্বার্থের অনুকূল নয়, তাহলে তা পরিবর্তনের সুযোগ চুক্তির মধ্যেই আছে।’

 সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতি স্থায়ী হবে না বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দাম বাড়বে এমন অনুমান করে করে দাম বাড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাদ দিতে হবে।’

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য অন্য দেশের তুলনায় খুব সামান্যই বেড়েছে। এটির ফলে পণ্যমূল্যের ওপরে যে অভিঘাত তা ওয়ানটাইম স্পাইক, ওয়ানটাইম ইনক্রিজ। এ কারণে মূল্যস্ফীতি স্পাইলার হবে না এবং স্টিকি হবেও না। ডিজেলের যা দাম বেড়েছে তাতে পণ্যমূল্য খুব বেশি বাড়ার কথা না। কেউ যদি বাড়তি মূল্য রাখে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। ‘

তিনি বলেন, ‘দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ঘাটতির কারণে পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়ছে, সেটি কমাতে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এজন্য একটি ডেনিশ কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ’

সরকারি কল-কারখানা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে করা প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের কাজ ব্যবসা করা না। সরকার যেখানেই ব্যবসা করতে যায় সেখানেই ইনএফিসিয়েন্সির কারণে লোকসান হয়। এতে জনগণের টাকা অপচয় হয়। সবগুলো লোকসানি প্রতিষ্ঠান সরকার ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগকারীদের কাছে ছেড়ে দিতে চাচ্ছে। এসব মিল-ফ্যাক্টরি চালু করে যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাজস্ব আহরণের ব্যবস্থা করা হয় সরকার সেই চেষ্টা করছে।’

এ সময় সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর