বিয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ : এএসপি সোহেল কারাগারে বিয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ : এএসপি সোহেল কারাগারে – ajkalbd24.com
  1. admin@ajkalbd24.com : admin : H.M Aslam
  2. akazadjm@gmail.com : A K Azad : A K Azad
  3. ajkalbd24.com@gmail.com : ajkalbd24 : Niaz Mohammad
  4. hafijakhan804@gmail.com : ajkal1 : ajkal1
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন

বিয়ের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ : এএসপি সোহেল কারাগারে

আজকাল ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯ সময় দর্শন
বিয়ের প্রলোভনে কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) মো. সোহেল উদ্দিন প্রিন্সের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার ইভা এ আদেশ দেন।

মামলার বাদী সহকারী কর কমিশনার মোসা. তানজিনা সাথীর করা আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এ সিদ্ধান্ত দেন।
আদালত সূত্র জানায় যায়, গত ৯ জুন একই আদালত সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠন করেন। সোহেল উদ্দিন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) সদর সার্কেলে সর্বশেষ দায়িত্বরত ছিলেন।

বাদীপক্ষের আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট আপস-মীমাংসার শর্তে সোহেল উদ্দিন প্রিন্স জামিন লাভ করেছিলেন।

কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি মামলার বিষয়ে কোনো আপসের উদ্যোগ নেননি বা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেননি। এ কারণে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম খান আদালতে দাবি করেন, তার মক্কেল বাদীর কোনো অর্থ আত্মসাৎ করেননি এবং তাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে।

উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত সোহেল উদ্দিন প্রিন্সের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সহকারী কর কমিশনার মোসা. তানজিনা সাথী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বাদী ও সোহেল উদ্দিন প্রিন্সের পরিচয় হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। একপর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাদী ও তার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা প্রয়োজনে মোট ২ কোটি ৩২ লাখ ১১ হাজার টাকা নেন। পরে তিনি বাদীকে বিয়ে করেননি এবং নেওয়া অর্থও ফেরত দেননি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর